Tuesday 1st of December, 2020 | 3:03 AM

ঈমানের পরীক্ষায় ধৈর্য্য ধারণ করা

সহিদুল ইসলাম খোকন
  • বুধবার, ১ জানুয়ারী, ২০২০
ঈমানের পরীক্ষায় ধৈর্য্য ধারণ করা
ঈমানের পরীক্ষায় ধৈর্য্য ধারণ করা
ঈমানের পরীক্ষায় ধৈর্য্য ধারণ করা

ঈমানের পরীক্ষায় ধৈর্য্য ধারণ করা

– করাত দিয়ে চিড়ে যাকারিয়া নবীকে দুই খন্ড করে হত্যা করা হয়েছিলো।
– যাকারিয়ার পুত্র আরেক নবী ইয়াহইয়াকেও খুন করা হয়েছিলো।
– ইব্রাহীম নবীকে বিশাল বড় আগুনে ফেলে দেওয়া হয়েছিলো।
– চরম বালা (পরীক্ষা) দেওয়া হয়েছিলো আইয়ুব নবীকে।
– মসীবতে ফেলা হয়েছিলো ইউনুস নবীকে।
– হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিলো ঈসা নবীকে।
আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি শান্তি ও দয়া বর্ষণ করুন।

– এছড়া মসজিদের ভেতরে নামায পড়া অবস্থাতে খঞ্জর মেরে শহীদ করা হয়েছিলো দ্বিতীয় খলিফা উমারকে।
– ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে ক্বুরান তেলাওয়াত করা অবস্থাতে খুন করা হয়েছিলো তৃতীয় খলিফা উসমানকে।
– বিষাক্ত ছুরি মেরে হত্যা করা হয়েছিলো চতুর্থ খলিফা আলীকে।
– বর্শা দিয়ে লজ্জাস্থানে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছিলো এই উম্মতের প্রথম শহীদ সুমাইয়াকে।
– শহীদদের সর্দার, নবীর প্রাণপ্রিয় আপন আপন চাচা ও দুধভাই হামযাকে হত্যা করা হয়েছিলো, মৃত্যুর পরে তাঁর কলিজা খেয়েছিলো এক মুশরেক মহিলা, অবশ্য পরে সেই মহিলা ইসলাম গ্রহণ করেছিলো।
– একজন ক্বুরানের হাফেজ সাহাবীকে বর্শা দিয়ে এমনভাবে বিদ্ধ করেছিলো যে সেই বর্শা বুকের একপাশ দিয়ে ঢুকে আরেকপাশ দিয়ে বের হয়ে গিয়েছিলো। তবুও মৃত্যুর পূর্বে সে চিৎকার করে বলেছিলো, কাবার রব্বের কসম! আমিতো সফলকাম হয়ে গেছি।
আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট থাকুন।
.
পূর্ব যুগের লোকেরা কত কষ্ট করেছিলো, ঈমান আনার কারণে কাফের মুশরেকদের কত অমানুষিক নির্যাতনের স্বীকার হয়েছিলো।

– মুসা নবীর যুগে ফেরাউন বনী ঈসরাল জাতির লোকদের কন্যা শিশুদেরকে দাসী বানিয়ে রাখতো আর পুত্র সন্তানদেরকে জন্মের পরেই হত্যা করে ফেলতো।
– সুরা বুরুজে বর্ণিত ঈমান আনারা কারণে আসহাবুল উখদুদ নামক এক জাতির লোকদেরকে আগুনের গর্তে ফেলে পুড়িয়ে মারা হয়েছিলো।
আমাদের তুলনায় তাদেরকে কি পরিমান কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিলো সেটা নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাদীস থেকে জানা যায়।
.
সুতরাং, হে বন্ধু!
তুমি তোমার দুঃখ-কষ্টের ব্যপারে ধৈর্য হারিয়ে ফেলোনা। নবী-রাসুল, সাহাবা এবং অলি-আওলিয়া ও নেককার লোকদের মতো তুমিও বিপদে ধৈর্য ধারণ করো। আর তাঁদের মতো এতো বড় বিপদ বা কষ্টে পড়োনি দেখে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করো। আল্লাহর ইবাদতে মনোযোগ দাও, নামায পড়ো, ক্বুরান পড়ো। আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তরগুলো শান্তি পায়। সুতরাং, আল্লাহর যিকির দ্বারা তোমার অন্তরটাকে সুখী রাখার চেষ্টা করো।

তাহলে কোন কষ্টে দুঃখে নিরাশ হচ্ছেন?
কম হতাশায় সব ছেড়ে দিচ্ছেন?
আসুন শুকরিয়া আদায় করি বহুটগুন ভালো আছি সেই অমানবিক কষ্টের থেকে।
রাব্বুল আলামীন আমাদের রক্ষা করুন আর রহমত দান করুন দিনের সহিহ বুঝ দান করুন।আমিন।

2 thoughts on "ঈমানের পরীক্ষায় ধৈর্য্য ধারণ করা"

  1. KeytTaP says:

    Buy Cipro Online Uk https://buycialisuss.com/# – Cialis Preise Viagra Cialis cialis online reviews Cialis No Me Hizo Efecto

  2. A motivating discussion is definitely worth comment. I
    do believe that you need to publish more on this subject matter, it
    might not be a taboo subject but usually people don’t talk about such issues.
    To the next! Many thanks!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
©  2019 All rights reserved by  dailydinajpur.com
Theme Dwonload From Ashraftech.Com
ThemesBazar-Jowfhowo